Skip to main content

Featured

ইতি, কথা।

তোমার সাথে আমার দেখা হলোনা।  আমি দেখলাম মানুষের ভিড়। তাদের আসা যাওয়া। দুবাক্স বই ভরে ছুটলাম দূরদেশে। তবুও দেখিনি তোমায়। ভ্রম ভেঙে ঘরে ঢুকি। ঘরের একপ্রান্ত থেকে অন্যপ্রান্তের মাঝে বিদেশযাত্রার চেয়ে বেশি দূরত্ব আছে মনে হয় এখন। আমি মিথ্যের আশ্রয় নেওয়া মানুষের কাছে ফিরতে চাইনা আর। আজ থেকে আমি তোমায় খুঁজব না। মানুষের ভিড়ে, মানুষের একা হয়ে যাওয়ায় আমি তোমায় দেখব না কোনওদিন।

প্রতিমা

মাঝে শুধু একটা চৌকাঠ থাকে। তাতে পা আটকে গেলে সামনের দিকে শরীর নুইয়ে পড়ে। এক হাত খড়কুটোর মত ভেসে যায় শুধু এক আশ্রয়ের অভাবে। আর অন্য হাত পিছুটান ছেড়ে আসে, অবাধ্য হৃদয়ে আগল তুলে দিয়ে। কারণ অনিবার্য হলে ফলাফলের নিশ্চয়তা বাড়ে। নিঃশব্দে স্ফটিক চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়। এত শীতল বিচ্ছেদ, যাত্রামঙ্গল পড়ার মত শীতল? তার চেয়ে কিছু বেশী। অথচ তাতে পা অসাড় হয়না। 

চৌকাঠের উল্টো দিকে মানুষ দাঁড়িয়ে থাকে, দেখে, শোনে। নির্বাক। যা কিছু তার বোধের বাইরে থেকে গেল, সে স্ফূরণ অসম্ভব। যার পতন নির্ধারিত, যার নিমজ্জন নিশ্চিত, তার আদল ভেসে ওঠে। সবার অলক্ষ্যে সে সাঁতরে পেরিয়ে যায় ঘাঘরির বুকে জমতে থাকা পাথরে আঘাত পেয়ে।

কত মানুষ, জানতে পারেনি সেদিন, বিসর্জন এইমাত্র শেষ হল, জানতে পারেনি কেন স্থির দৃষ্টি নিয়ে সেই মুখ ভেসে ভেসে আকাশ দেখল, দেখল চৌকাঠের বিপরীতে দাঁড়ানো মানুষের ছায়া, কেন সেদিন কাঠামো ভেসে উঠেছিল। নিরাভরণ। কেউ জানতে পারবে না, সব "কেন" ঘটেছিল শুধু চৌকাঠ পেরিয়ে শিকল ভাঙার অভাবে। 







Comments