Skip to main content

Featured

  নীচে নামতে নামতে অতলে বুক পেতে শুই ,   হৃদপিণ্ড দূরে পড়ে আছে একদিকে। অস্থি-মাংসপিন্ড-রক্ত মিশে মাটির রং তামাটে হয়ে আছে। আমার পাশ দিয়ে হেঁটে যায় পুরুষের দল। তাদের মধ্যে কেউ পা দিয়ে পিষে দিয়েছে এক ধারে পড়ে থাকা আমার হৃদপিণ্ড। কখনও মাথার মধ্যে পা রেখেছে কেউ। হাসি মুখে তাকিয়ে দেখেছি সব। মা, দিদিমা, শতাব্দী প্রাচীন মায়েদের ঠোঁটের কোণায় এক চিলতে হাসি। দীর্ঘ দিনের অর্জিত বোধ, শিক্ষা, অর্থ, আত্মাভিমান পা দিয়ে সরিয়ে আমার মুখে হাসি লেগে থাকে।  আমার পাশে পরে থাকা সব মৃতদেহ হাসছে। কখনও পুরুষের দল, কখনও একজন পুরুষ পদাঘাত করেছে বহুবার বহুবার। অথচ ক্ষতবিক্ষত মৃতদেহ হেসেছে মৃদুস্বরে। হাসতে হাসতে শেষবার ভিক্ষা চেয়েছি ঈশ্বরের কাছে, কান্না দাও হা ঈশ্বর কান্না দাও, সব স্থৈর্য, সব সহন, অবশিষ্ট অসীম প্রেম উৎসর্গ করে দিয়ে জানিয়ে এসেছি কাঁদতে দাও আমাদের। পরম বোধে প্রেমহীন করো আমাদের।

করাগ্রে বসতে লক্ষ্মীঃ

লক্ষ্মী চলে গেছে উঠোন পেরিয়ে,

পায়ের ছাপ রাখেনি কোথাও 

হা ঈশ্বর বলার সুযোগ পায়নি তোমার দেবতা।

পরিপূর্ণ ঘর ভিটে মাটি,

মূলধন যতটুকু, ক্ষণিক আড়ম্বর।

দোরে দোরে ছায়া পড়ে করুণার মত,

বিস্মৃতি থেকে লক্ষ্মী মেয়ের ঘ্রাণ মুছে যায়।

খুদের শেষ মুঠো দিয়ে অন্ধ পূজারী লক্ষ্মী বরণ করে। 

Comments